MA ১৮ মার্চ ২০২৫ ০৮:২৬ পি.এম
মুনতাহা মায়মুনা
দেশে একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ অনেকদূর এগিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করেন সবাই। কিন্তু সবদিক বিবেচনা করলে আমরা কি নিশ্চিত করে বলতে পারবো, আমরা এগিয়েছি। একটি দেশের এগিয়ে যাওয়ার যে ক্যাটাগরি, আমরা তার সবগুলোতে কতটা সাফল্য অর্জন করেছি সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কি এক ঝলকে বলতো পারবো আমরাই সেরা? সম্ভবত আমরা এমন গর্বের উচ্চারণ সহজে করতে পারবো না।
যদি প্রশ্ন করি, কেন বলতে পারবো না- তাহলে অনেক উত্তর মিলবে। অনেক বিষয়ে অনেক বিশ্লেষণ করা যাবে। তবে আজকের এই লেখায় একটি বিশেষ বিষয় নিয়ে আলোকপাত করতে চাই।
আমরা সবাই জানি মাত্র কয়েকদিন আগে (৮ মার্চ) দেশজুড়ে বেশ সাড়ম্বরে পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হয়েছে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। সে আয়োজন কতটা আমাদের মনে রেখাপাত করছে সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে। বরাবরই এ দিবসটি আয়োজনে সীমাবদ্ধ থাকছে। এই দিবসের দিনে নারীরা কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নেন, সেখানে কিছু কথা বলেন। ওইসব অনুষ্ঠানে খ্যাতিমান নারীরা বা নীতিনির্ধারনী পুরুষরা থাকেন, যারা এ দিবসটি নিয়ে অনেক কথা বলেন। উঠে আসে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা কর্মপদ্ধতির কথা। ব্যস ওই পর্যন্তই। বছরের পর বছর ধরে নারী দিবস এই দেশে পালিত হয়ে এলেও নারীরা খুব বেশি অধিকারপ্রাপ্ত বা মর্যাদাসম্পন্ন হয়েছেন, সেটি বলা যাবে না।
এবার শিশু আছিয়া ধর্ষণ নারী দিবসের ক্ষণটিকে বেদনায় ভরিয়ে দিয়েছে। শুধু আছিয়া নয়, দেশের নারী এবং শিশুরা ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠছে। সেটি তার কর্মক্ষেত্র হোক বা সমাজের অন্য কোনো স্থান হোক। সমাজ বা রাষ্ট্রের একদিকে তাকালে দেখা যাবে নারীরা অনেকদূর এগিয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, নিরাপত্তা বাহিনী, ব্যবসা- সব ক্ষেত্রেই নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। কিন্তু নারীদের নিরাপত্তার জায়গাটি সেভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
নারীর নিরাপত্তায় অনেক আইন থাকলেও সেগুলো যেন কোনো কাজেই লাগছে না। বরং দিন যতো যাচ্ছে, নারীরা ততই অনিরাপদ বোধ করছেন। শিশু, কিশোরী ও তরুণীদের নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আতঙ্ক বাড়ছে। এ অবস্থার অবসান হওয়া খুব জরুরি। সরকার এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে সেটা নিশ্চিত। এর পাশাপাশি সমাজের বিশিষ্টজনদের এবং রাজনৈতিক শক্তিগুলোর শক্তিশালী ভূমিকা প্রয়োজন। নারীকে শুধুমাত্র নারী হিসেবে না দেখে তার যোগ্যতা ও দক্ষতাকে বিবেচনায় নিতে হবে। শিশু-কিশোরী ও তরুণীদের জন্য একটি সুন্দও সমাজ গড়ে তুলতে হলে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
মনে রাখতে হবে, নারীদের সম্মান দিতে না পারলে রাষ্ট্র বা সমাজ কখনও শক্তিশালীভাবে এগাতে পারবে না। বর্তমান বাংলাদেশে পুরুষদের চেয়ে নারীদের পরিমাণ কম নয়। তাই সমাজ বা রাষ্ট্রের এই বড় অংশটিকে কোণঠাসা করে খুব বেশিদূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। শিশু-কিশোরী, তরুণী-যুবতী বা নারী যাই বলি না কেন তাদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের সব স্তরের সবাইকে একজোট হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। ঘরে যেমন নারী ও কন্যাদের সম্মান
করতে হবে, তেমনি বাইরেও তা বজায় রাখতে হবে।
এগোতে হলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নারী
দিনবদলের অঙ্গীকারে নতুন দল ও জনগনের প্রত্যাশা
আঞ্চলিক ভাষা বাংলার অলঙ্কার স্বরুপ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ব্যবস্থা নিন
আরও গতিশীল হোক মেট্রোরেল
রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রের ভাষা ও গণতন্ত্র
ছালেহার কালো বোরখা
সেলিম আল দীন : বাংলানাটকের শিকড় সন্ধানী গবেষক
নির্বাচনী রাজনীতি
পূর্বাচলে একের পর এক লাশ: অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে এলাকা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি
চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো প্রভাবশালীদের দখলে
শব্দ সন্ত্রাস, সুস্থতার অধিকারে করছে বিঘ্নতার সৃষ্টি
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম : উদ্যোক্তা সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা
অসুরনাশীনি আঁধার বিনাশীনি দেবী দুর্গা
বিশ্বখ্যাত টাইম স্কয়ারে দুর্গাপূজা
ভূরাজনীতির নতুন উদীয়মান বন্ধুত্ব ও শত্রুতা
পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য, যার রক্তে ছিল প্রতিবাদের আগুন
কলঙ্কিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা পীঠ