MA ১৪ মার্চ ২০২৫ ০১:১১ এ.এম
এনএস ডেস্ক
একসময় শীত এলেই সবজির দোকানে নানা পদের সবজির সঙ্গে বিটরুটের দেখা মিলতো। তবে এখন বছর জুড়ে সবজির দোকানে পাওয়া যায় কালচে লাল রংয়ের বিটরুট। এটি ফলজাতীয় হলেও ফলের দোকানের বদলে সবজির দোকানে ঠাঁই মেলে। পুষ্টিগুণের দিক থেকে বিটরুটকে ‘সুপার ফুড’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিটরুট খাওয়ায় বিপত্তি ঘটতে পারে।
বিটরুটে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়োডিন, পটাশিয়াম, ফোলেট, ক্যালোরি, আয়রন, জিংক, ফাইবার ছাড়াও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপাদান রয়েছে। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বিটরুটে।
প্রায় সারা বছরই বিটরুট পাওয়া যায়। এটি সালাদ ও জুস আকারে বেশি খাওয়া হয়। কেউ কেউ সবজি হিসেবেও খেয়ে থাকেন।
খাদ্য ও পুষ্টি গবেষকদের মতে, যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তারা বিটরুট খেতে পারেন নিয়ম করে। বিটরুটে থাকা নাইট্রেটস রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। এটি রক্তনালীর প্রদাহ কমাতে পারে। ফলে শরীরে রোগের ঝুঁকি কমে। বিটরুটে থাকা আয়রন রক্তে নতুন লোহিত কণিকা তৈরি করে থাকে। অনিয়মিত মাসিক সমস্যা কমাতে উপকারী বিটরুট।
আঁশ জাতীয় খাবার বিটরুট। এতে থাকা ফাইবার খাবারের বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমে আসে। যার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকে সৃষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বিটরুটের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লুটেইন নামে
পরিচিত। এই উপাদানটি চোখের রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। যদি শরীরে বিশেষ কোনো সমস্যা না থাকে, তবে নিয়মিত বিটের জুস খেলে বয়সজনিত কারণে মুখমণ্ডলে যে সমস্যা তৈরি হয়, সেগুলো থেকে দূরে থাকবেন। ব্রন, বলিরেখা, মেছতা দূর করতে সহায়ক বিটরুট।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মানুষের মস্তিস্ক দুর্বল হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু বিটরুট খেলে এই সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকতে পারবেন। বিটরুটের জুস খেলে শরীরে থাকা টক্সিন দূর হয়ে যাবে। বিশেষ করে লিভার বা যকৃতে চর্বি জমতে দেয় না বিটের রস। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এটি রক্তে থাকা কোলেস্টেরলের পরিমাণও কমাতে সাহায্য করে।
যাদের জন্য সতর্কতা: বিটরুট শরীরের জন্য উপকারী হলেও একটানা না খেয়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন খাবেন। বিটরুটে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অত্যন্ত বেশি পরিমাণে রয়েছে। তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা বিটরুট খাবেন না। বিটরুট রক্তচাপ কমিয়ে দেয়, তাই যাদের লো-প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে তারা খাবেন না। যাদের কিডনীতে পাথর আছে বা পাথর হবার ধাত রয়েছে তারা বিটরুট না খাওয়াই উত্তম।
অনেকের নানা কারণে অ্যালার্জি হয়; আপনি যদি বোঝেন যে, বিটরুট খাওয়ার পর এমনটি হচ্ছে তাহলে এটি খাওয়া বাদ দিন। আপনি যদি নিয়মিত নানা রোগে ভোগেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিটরুট খাবেন।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি