MA ১০ মার্চ ২০২৫ ০১:১৬ এ.এম
এনএস ডেস্ক
আদা চেনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিশ্বের সব দেশে খাদ্যে ব্যবহৃত একটি পরিচিত উপাদান আদা। রান্নায় স্বাদ বাড়াতে আদার ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এছাড়া ভেষজ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আদার যথেষ্ট কদর রয়েছে। আদার পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ আপনাকে চমকে দেবে।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম আদায় ৭৯ কিলো ক্যালরি শক্তি উপাদান, ০.৮ গ্রাম লিপিড, ০.২ গ্রাম সম্পৃক্ত চর্বি, ০ মিলিগ্রাম কোলস্টেরল, ১৩ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৪৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ১৮ গ্রাম শর্করা, ২ গ্রাম খাদ্য আঁশ, ১.৭ গ্রাম চিনি, ১.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ০.৬ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি৬ রয়েছে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, আদায় থাকা ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আদা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সর্দি-কাশি ও ফ্লু সংক্রমণ প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আদা শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে পারে।
আদায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। পেটে গ্যাস বা বায়ু জমলে কয়েক টুকরা আদা চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। আদা নানা ধরণের বমিভাব কমিয়ে দিতে পারে। আদার মধ্যে পেশী শিথিলকারী বৈশিষ্ট্য থাকায় অন্ত্রের পেশীগুলোকে প্রশমিত ও শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে খিঁচুনি কমার পাশাপাশি এবং হজমের অস্বস্তিও কমে আসে।
আদার ফাইটোকেমিক্যাল বৈশিষ্ট্য প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। আদার জিঞ্জেরল যৌগগুলি ব্যাথা নিরাময় করতে পারে। বিশেষভাবে ডিসমেনোরিয়া অর্থাৎ পিরিয়ড শুরু হওয়ার ঠিক আগে বা পরে নারীদের ব্যাথা নিরসনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আদা খেলে করোনারি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া, সেরিব্রোভাসকুলার ডিজিজ এবং ফ্যাটি লিভারের রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের এক দারুণ উৎস হলো আদা। প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা কোলোরেক্টাল ক্যানসার, গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার এবং লিভার ক্যানসারের ক্ষেত্রে আদার রস কাজ করতে পারে। কাঁচা আদা ব্রনের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। আদা ত্বকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদন কমাতে পারে। ত্বককে পূনরুজ্জীবিত করে তুলতে পারে আদা। কিছু সতর্কতা তবে কিছু ক্ষেত্রে আদা ক্ষতিকর হতে পারে।
গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসকের পরার্শ অনুযায়ী আদা সেবন করা উচিত। যারা হিমোফিলিয়ার সমস্যার জন্য ওষুধ খান, তারা আদা না খাওয়াই ভালো। হাইপারটেনসন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে কাঁচা আদা খাওয়া এড়িয়ে চলবেন। মনে রাখতে হবে, আদা রক্তকে পাতলা করে রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে। যা শরীরে নানা জটিলতা তৈরি করতে পারে।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি