কেবি ০৯ মার্চ ২০২৫ ১০:৪৫ এ.এম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থকদের সঙ্গে নতুন ইসলামপন্থি শাসকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৭৪৫ জন বেসামরিক নাগরিক, ১২৫ জন সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৪৮ জন বাশার আল-আসাদের অনুগত যোদ্ধা।
এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
বাশার আল-আসাদপন্থিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর সংঘাতের জেরে বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎ উত্তপ্ত সিরিয়া। উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ার জাবলে শহরের কাছে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত পুলিশ সদস্যসহ হতাহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পাঁচশো। আসাদ সরকারের পতনের পর দেশটিতে এটিই সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে উপকূলের দিকে যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। উপকূলীয় শহরগুলোর রাস্তায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল হাসান আব্দুল গনি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে লাতাকিয়ায় লড়াইরত আসাদের অনুগতদের প্রতি একটি সতর্কবার্তা জারি করেন।
তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষ তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কেউ কেউ খুনি এবং অপরাধীদের রক্ষায় পালিয়ে যাওয়ার ও মৃত্যুর জন্য জোর দিচ্ছে। পছন্দটি স্পষ্ট; আপনার অস্ত্র জমা দিন অথবা অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি হোন।
বিদ্রোহ দমাতে আসাদপন্থিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান ওয়ার মনিটর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে এ পর্যন্ত তিনশোর বেশি বেসামরিক নাগরিককে গুলি করে হত্যা করে নিরাপত্তা বাহিনী।
এ নিয়ে এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা বলেছেন, সিরীয়দের ওপর হামলা ক্ষমার অযোগ্য। আত্মসমর্পণ ও সরকারের নির্দেশ না মানলে ভোগ করতে হবে কঠিন পরিণতি।
সংঘাতপূর্ণ দেশটিতে নতুন করে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। দামেস্ক ও আলেপ্পোতে সরকারের সমর্থনে শোভাযাত্রা করেন হাজারো মানুষ। পতাকা হাতে আসাদপন্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানান তারা।
দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
নরেন্দ্র মোদির অবসর নিয়ে জল্পনা, উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে পাইলটের মৃত্যু
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৮৮৬ জন
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জারদারি করোনায় আক্রান্ত
গাজার ‘বিস্তৃত এলাকা’ দখলের পরিকল্পনা ইসরাইলের
মার্কিন পরিকল্পনায় বাধা: উপসাগরীয় মিত্রদের নিষেধাজ্ঞা
মিয়ানমারে ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা
প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
সৌদিসহ ১১ দেশে আজ ঈদ
সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা গেছে, রোববার ঈদ
ইন্দোনেশিয়ায় ৩১ মার্চ উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯৪
বিদেশি শিক্ষার্থীদের টার্গেট করছে মার্কিন প্রশাসন
স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা
সিগন্যাল কেলেঙ্কারি ফাঁসে অস্বস্তিতে ট্রাম্প প্রশাসন
ভোরে গাজায় ইসরায়েলের বোমা হামলা, নিহত ১৭
গাজার নতুন প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল বারহুম নিহত
কানাডার নির্বাচন ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
যুক্তরাষ্ট্রে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি আমিরাতের
হাসিনাবিরোধী গণবিক্ষোভের কথা আগেই জানত ভারত : জয়শঙ্কর
গাজায় যুদ্ধবিরতি নাকি নতুন সামরিক কৌশল?
রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন বাইডেন
চার দেশের ৫ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর বৈধতা বাতিল করলেন ট্রাম্প
গাজার একমাত্র ক্যান্সার হাসপাতাল ধ্বংস করল ইসরাইল
ইসরায়েলের গোয়েন্দা প্রধান রোনেন বার বরখাস্ত
গাজায় ইসরায়েলী হামলায় তিন দিনে ২০০ শিশুর প্রাণহানি
পুতিনের পর জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপ ট্রাম্পের
ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থনে ইসরায়েলের গাজা অভিযান?
মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি বৃদ্ধির পথে ইরান: ভবিষ্যৎ কী?