MA ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০১:১৫ এ.এম
এনএস ডেস্ক
সবজি হিসেবে পটোলের বেশ কদর রয়েছে। গ্রাম কিংবা শহর সবখানে থাকা মানুষই পটোল খেতে পছন্দ করেন। পটোল দিয়ে নানা পদের তরকারি হয়। মাছের সঙ্গে পটোল দিয়ে যেমন খাওয়া যায়, তেমনি আলু দিয়ে সবজি, ভর্তা, ভাজি- এমন অনেক আইটেম করা যায়। পটোলের খোসা দিয়েও তৈরি হয় নানা পদ। কেউ এই খোসা ভাজি করে খান, আবার কেউ এর ভর্তা বানান।
মোটকথা পটোল খাদ্য হিসেবে বেশ কদর পায়। আগে শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালে পটোল পাওয়া গেলেও এখন অনেক এলাকায় পুরো বছর পাওয়া যায় এই সবজি। সাধারণত পটোলের কোনও অপকারিতা নেই। তবে উপকারের আশায় বেশি পরিমাণে বমি বমি ভাবসহ খেলে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে।
পুষ্টিবিদ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি ১০০ গ্রাম পটোলে ক্যালোরির পরিমাণ ২০ কিলোক্যালরি। এছাড়া ০.৩ গ্রাম ফ্যাট, ২.২ গ্রাম শর্করা, ২ গ্রাম প্রোটিন, ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৭০ মিলিগ্রাম আয়রন, ৪০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১৫০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ১১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ৩ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়।
এছাড়াও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপাদান রয়েছে ছোট এই সবজিটিতে। পটোলের বীজ ও পাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ দেয়। ডায়াবেটিসের ফলে হওয়া পোরিফেরাল ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে পটোল। রক্তে শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি রক্তে অধিক পরিমাণে থাকা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে দিতে পারে। ফলে হৃদরোগসহ নানা রোগ প্রতিরোধ হয়।
পটোলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি র্যাডিকেল তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে শরীরে ক্যান্সারের জীবাণু বাসা বাঁধতে বাধায় পড়ে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতস্থান সারাতে ফলদায়ক। উচ্চমাত্রার এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কুঁচকে যাওয়া ভাব দূর করতে পারে। ফলে চেহারা বা শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে তুলনামূলক দেরীতে। পটোল রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা রাখে।
জন্ডিস ও লিভার ফাংশনের জন্য পটোল খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পটোলের পাশাপাশি এর পাতা, বীজ এবং ফুল লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। পটোলে রয়েছে কৃমিনাশক গুণ। পটোলের বীজ প্রাকৃতিক কৃমিনাশক হিসেবে ভালো কাজ
দেয়। প্রকৃতিক ব্যাথানাশক হিসেবেও পটোল বীজ অতুলনীয়। পটোল কম ক্যালরির একটি সবজি। ফলে এটি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। এর ভিটামিন ও ডায়েটরি ফাইবার হজম ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিক রাখে।
পটোল রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। পটোলে থাকা উপাদান শরীরকে ডিটক্সিফিকেশনের মাধ্যমে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পটোল শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম উন্নত করতে পারে। পটোলে ভিটামিন সি অধিক পরিমাণে থাকার কারণে সাধারণ সর্দি-কশি ও জ্বর ঠেকাতে পারে।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি