শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
লাইফস্টাইল

নিশ্চিন্তে খান কচু শাক

MA ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:২৮ এ.এম

newssign24.com কচু শাক : ফাইল ছবি

এনএস ডেস্ক
মানবদেহের জন্য উপকারী বিভিন্ন উপাদান সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতিতে দিয়ে রেখেছেন। এসব উপাদানের মধ্যে শাক-সবজি অন্যতম। শাক-সবজিতে থাকা নানা ধরণের উপাদান মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। যারা নিয়মিত শাক-
সবজি খেয়ে থাকেন, তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে উল্লেখ করার মতো। তবে বড় কোনও রোগ হলে শুধুমাত্র সবজির গুণাবলীর ওপর নির্ভর করলে চলবে না, অবশ্যই চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে হবে।

দেশীয় শাক-সবজির মধ্যে অত্যন্ত উপকারী একটি হলো কচু শাক। পুষ্টিগুণে ভরপুর কচু শাকের বহুবিধ উপকারিতা রয়েছে। শহরাঞ্চলে বসবাসকারীরা কচু শাকের প্রতি তেমন দুর্বল না হলেও গ্রামে এখনো এই শাকের ব্যাপক কদর রয়েছে। অনেকে কচু শাককে ‘গরীবের শাক’ বলে অনাদর করলেও এটির গুণ সম্পর্কে জানলে আপনি খেতে দ্বিধা করবেন না।

প্রতি ১০০ গ্রাম কচু শাকে রয়েছে- ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন, ১০ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফ্লেবিন), ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ১,৫ গ্রাম চর্বি বা স্নেহ, ২৭৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, খাদ্য শক্তি ৫৬ কিলোক্যালরি।

নানা পদে কচু শাক খাওয়া হয়ে থাকে। কখনও ভর্তা করে, কখনও তরকারিতে দিয়ে, কখনও মাছ বা শুটকি মাছের সঙ্গে রান্না করে কচু শাক খান অনেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, কচু শাকে থাকা ভিটামিন ও আয়রন শরীরের নানা কাচে লাগে। কচু শাকে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের যে কোনও ধরণের প্রদাহ কমাতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যাক্তির ক্যালসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে পারে এই শাক। নিয়মিত কচু শাক খেলে দাঁত ও হাড় ভালো থাকবে। 

এই শাকে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাসিয়াম। যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। কচু শাকে থাকা আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে কচু শাক খান, উপকার পাবেন। কচু শাকে ভিটামিন এ, যা রাতকানা রোগসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমস্যা দূর করে। নিয়মিত কচু শাক খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে কচু শাকে। এ উপাদানটি খাবার হজমে সহায়তা করে। ফলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে কচু শাক। আর খবর হজম হওয়া ও কোষ্ঠাকাঠিন্য দূর হওয়া মানে শরীরের অনেক সমস্যা কমে যাওয়া। কচু শাকে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি শরীরের বিভিন্ন ধরণের ক্ষত সারাতে সহায়তা করে। 

বড়দের পাশাপাশি শিশুদের ছোটবেলা থেকে কচু শাক খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। অনেকের কচু শাক খেলে গলা চুলকায়। এমন যাদের হয় তাদের জন্য রান্নার করার সময় লেবু বা সিরকার ব্যবহার করা হলে উপকার পাবেন।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে

news image

সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন

news image

ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন

news image

ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ

news image

ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন

news image

ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন

news image

ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?

news image

ইফতারে খান বেলের শরবত

news image

রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান

news image

রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো

news image

গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে

news image

বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...

news image

টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়

news image

প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান

news image

দারুণ উপকারী দারুচিনি

news image

সুস্থ থাকতে আদা খান

news image

আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক

news image

মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব

news image

পাট শাকে যেসব উপকার

news image

পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক

news image

রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার

news image

গুণের অভাব নেই কলমি শাকে

news image

অবহেলা করবেন না নুনে শাক

news image

পুষ্টির খনি লাউ শাক

news image

লাউ যেন এক মহৌষধ!

news image

এই গরমে পাতে রাখুন পটোল

news image

খেতে ভুলবেন না গিমা শাক

news image

কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী

news image

কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ

news image

পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি