MA ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৩২ এ.এম
এনএস ডেস্ক
স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর হলো পালং শাক। এটি শীতকালীন শাক হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। পালং শাক রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি আপনি চাইলে জুস করে খেতে পারেন। এই শাক শরীরে নানা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। তাই বলে অপরিমিত খেলে শারীরিক সমস্যাও হতে পারে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে রয়েছে- ২৩ কিলোক্যালরি শক্তি, ৩.৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.২ গ্রাম প্রোটিন, ২.২ গ্রাম ফাইবার, ২৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই, ৯৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৭ মিলিগ্রাম আয়রন।
এ ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, মাঙ্গানিজ, জিংক, ফলিক অ্যাসিড, সেলেনিয়াম ইত্যাদি উপাদান। দৈনিক ফাইবার চাহিদার ২০ শতাংশ পূরণ করতে পারে পালং শাক।
পুষ্টিবিদদের মতে, পালং শাকে থাকা উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের ছানি পড়া প্রতিরোধ করতে পারে। পালং শাকে থাকা জিয়াজ্যান্থিন ও ক্যারোটিনয়েডস ধরনের মুখের মাউথ ক্যান্সার, ইসোফ্যাগাস ক্যান্সার, স্টমাক ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
এই শাকে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড প্রেশার কমায়। রক্তে থাকা শ্বেত কণিকার পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পালং শাকে থাকা ক্যালসিয়াম হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে ভূমিকা রাখে। ফলে হাড়ে ক্ষয় রোগের কারণে সৃষ্ট হাত-পায়ের জয়েন্টের ব্যাথা দূর হতে পারে। রক্ত পরিস্কারক সবজি বা খাদ্য হিসেবে পালং শাক ব্যাপক পরিচিত। এতে প্রচুর আয়রন থাকায় শরীরের রক্ত বাড়াতে সহায়তা করে।
পালং শাকে ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিড উপাদান রয়েছে। এ উপাদানটি অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী মায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে লাবণ্য বাড়ায় পালং শাক। এতে থাকা ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ভিটামিন কে পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে। প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে পারে পালং শাক।
পালং শাকের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা অবশ্যই পালং শাক খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেবেন।
সতর্কতা: খুব বেশি পালং শাক একবারে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খেলে শরীরে বিষাক্ত প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে গ্যাস, পেট ফোলাভাব হতে পারে। পালং শাক বেশি খাওয়ার কারণে যখন শরীরে অক্সালিক অ্যাসিড বেশি হয়, তখন এটি সিস্টেম থেকে বের করে দেওয়া আমাদের শরীরের জন্য কঠিন হয়। ফলে কিডনিতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন জমা হয়। এর ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যারা রক্ত তরল রাখার ওষুধ নিয়মিত খান, তারা চিকিৎসকের পরামর্ম মতো পালং শাক খাবেন।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি