শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
মুক্ত মঞ্চ

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ব্যবস্থা নিন

MA ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:২০ পি.এম

newssign24.com প্রতীকি ছবি

মুনতাহা মায়মুনা
বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ে বছরব্যাপী ভোক্তাদের নাকাল হতে হয়। বিশেষ করে নিয়মিত চাহিদা আছে এমন পণ্যের অগ্নিমূল্য বা অযৌক্তিক দামের কারণে মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেটা সবজি থেকে শুরু করে চাল-ডাল, আটা-চিনি, তেল-লবণ, মাছ-মাংস-মসলা যাই হোক না কেন। কখনো কখনো ভরা মৌসুমেও দাম বাড়ার কারণে ভোক্তাদের নাকানি-চুবানি খেতে হয়।

এসব নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা ও পদক্ষেপের কথা শোনা যায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না, বহু বছর ধরে বাজার সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়। কিন্তু সিন্ডিকেটের কবল থেকে জনগনকে রক্ষা করার কাজটি করতে সব সরকারই ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে খুব সফল হয়েছে সেটা বলা যাবে না। তবে এই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি।

এরই মধ্যে বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে রমজান মাস। রমজান হলো সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। কিন্তু আমরা ঠিকভাবে সংযম বা আত্মশুদ্ধি করতে পারছি কি? প্রতি বছরই রমজান এলে আমাদের দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা মূল্য বাড়ানোর খেলায় মেতে ওঠেন। তারা ভোগ্যপণ্য, পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল থেকে শুরু করে রোজা ও ঈদের সময় প্রয়োজনীয় সব জিনিষের দাম বাড়ান। যেন বছরের ওই একটি সময়ে ব্যবসা করে নিজেদের সব প্রাপ্তি বুঝে নিতে চান ওই ব্যবসায়ীরা। আর এ কর্মকাণ্ডে সাধারণ জণগনের দুর্দশার অন্ত থাকে না।

ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা- এই দুই শ্রেণির মাঝে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান হলো সরকার। কিন্তু রমজান এলে সরকার ও তার ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা যেন চুপ হয়ে যান। ফলে ব্যবসায়ীদের মুল্যবৃদ্ধির খড়গে ক্ষতবিক্ষত হতে হয় ভোক্তাদের। তবে এবার আগের সরকারগুলোর মতো অবস্থা তৈরি হবে না বলে জনগন দেখতে চায়। জনগন চায়, রমজান এবং ঈদে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সব ধরণের ভোগ্যপণ্য ক্রয়সীমার আওতায় থাকুক। জনগন দীর্ঘদিন ধরে এক্ষেত্রে যে বৈষম্যের শিকার এবার তার শেষ দেখতে চায়।

সেজন্য সরকারকে এখন থেকেই মাঠে নামতে হবে। আমদানী, পাইকারি বাজার ও খুচরা বাজারের মধ্যে কোন ক্ষেত্রটিতে সঙ্কট, সেটি খুঁজে বের করতে হবে। বাজারে যেমন সব পণ্যের জোগান ঠিক রাখতে হবে, তেমনি মূল্য বাড়ানোর রোগটিও সারাতে হবে। সেজন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত মনিটরিং, আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন। জনগন মনে করে, নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মূল্য বাড়াতে সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হলে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

লেখক: গবেষক ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

এগোতে হলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

news image

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নারী

news image

দিনবদলের অঙ্গীকারে নতুন দল ও জনগনের প্রত্যাশা

news image

আঞ্চলিক ভাষা বাংলার অলঙ্কার স্বরুপ

news image

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ব্যবস্থা নিন

news image

আরও গতিশীল হোক মেট্রোরেল

news image

রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রের ভাষা ও গণতন্ত্র

news image

ছালেহার কালো বোরখা

news image

সেলিম আল দীন : বাংলানাটকের শিকড় সন্ধানী গবেষক 

news image

নির্বাচনী রাজনীতি  

news image

পূর্বাচলে একের পর এক লাশ: অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে এলাকা

news image

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

news image

চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো প্রভাবশালীদের দখলে

news image

শব্দ সন্ত্রাস, সুস্থতার অধিকারে করছে বিঘ্নতার সৃষ্টি

news image

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম : উদ্যোক্তা সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা

news image

অসুরনাশীনি আঁধার বিনাশীনি দেবী দুর্গা

news image

বিশ্বখ্যাত টাইম স্কয়ারে দুর্গাপূজা 

news image

ভূরাজনীতির নতুন উদীয়মান বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

news image

পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য, যার রক্তে ছিল প্রতিবাদের আগুন

news image

 কলঙ্কিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা পীঠ