MA ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:২০ পি.এম
মুনতাহা মায়মুনা
বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ে বছরব্যাপী ভোক্তাদের নাকাল হতে হয়। বিশেষ করে নিয়মিত চাহিদা আছে এমন পণ্যের অগ্নিমূল্য বা অযৌক্তিক দামের কারণে মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেটা সবজি থেকে শুরু করে চাল-ডাল, আটা-চিনি, তেল-লবণ, মাছ-মাংস-মসলা যাই হোক না কেন। কখনো কখনো ভরা মৌসুমেও দাম বাড়ার কারণে ভোক্তাদের নাকানি-চুবানি খেতে হয়।
এসব নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা ও পদক্ষেপের কথা শোনা যায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না, বহু বছর ধরে বাজার সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়। কিন্তু সিন্ডিকেটের কবল থেকে জনগনকে রক্ষা করার কাজটি করতে সব সরকারই ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে খুব সফল হয়েছে সেটা বলা যাবে না। তবে এই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি।
এরই মধ্যে বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে রমজান মাস। রমজান হলো সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। কিন্তু আমরা ঠিকভাবে সংযম বা আত্মশুদ্ধি করতে পারছি কি? প্রতি বছরই রমজান এলে আমাদের দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা মূল্য বাড়ানোর খেলায় মেতে ওঠেন। তারা ভোগ্যপণ্য, পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল থেকে শুরু করে রোজা ও ঈদের সময় প্রয়োজনীয় সব জিনিষের দাম বাড়ান। যেন বছরের ওই একটি সময়ে ব্যবসা করে নিজেদের সব প্রাপ্তি বুঝে নিতে চান ওই ব্যবসায়ীরা। আর এ কর্মকাণ্ডে সাধারণ জণগনের দুর্দশার অন্ত থাকে না।
ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা- এই দুই শ্রেণির মাঝে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান হলো সরকার। কিন্তু রমজান এলে সরকার ও তার ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা যেন চুপ হয়ে যান। ফলে ব্যবসায়ীদের মুল্যবৃদ্ধির খড়গে ক্ষতবিক্ষত হতে হয় ভোক্তাদের। তবে এবার আগের সরকারগুলোর মতো অবস্থা তৈরি হবে না বলে জনগন দেখতে চায়। জনগন চায়, রমজান এবং ঈদে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সব ধরণের ভোগ্যপণ্য ক্রয়সীমার আওতায় থাকুক। জনগন দীর্ঘদিন ধরে এক্ষেত্রে যে বৈষম্যের শিকার এবার তার শেষ দেখতে চায়।
সেজন্য সরকারকে এখন থেকেই মাঠে নামতে হবে। আমদানী, পাইকারি বাজার ও খুচরা বাজারের মধ্যে কোন ক্ষেত্রটিতে সঙ্কট, সেটি খুঁজে বের করতে হবে। বাজারে যেমন সব পণ্যের জোগান ঠিক রাখতে হবে, তেমনি মূল্য বাড়ানোর রোগটিও সারাতে হবে। সেজন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত মনিটরিং, আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন। জনগন মনে করে, নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মূল্য বাড়াতে সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হলে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
লেখক: গবেষক ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী
এগোতে হলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নারী
দিনবদলের অঙ্গীকারে নতুন দল ও জনগনের প্রত্যাশা
আঞ্চলিক ভাষা বাংলার অলঙ্কার স্বরুপ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ব্যবস্থা নিন
আরও গতিশীল হোক মেট্রোরেল
রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রের ভাষা ও গণতন্ত্র
ছালেহার কালো বোরখা
সেলিম আল দীন : বাংলানাটকের শিকড় সন্ধানী গবেষক
নির্বাচনী রাজনীতি
পূর্বাচলে একের পর এক লাশ: অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে এলাকা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি
চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো প্রভাবশালীদের দখলে
শব্দ সন্ত্রাস, সুস্থতার অধিকারে করছে বিঘ্নতার সৃষ্টি
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম : উদ্যোক্তা সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা
অসুরনাশীনি আঁধার বিনাশীনি দেবী দুর্গা
বিশ্বখ্যাত টাইম স্কয়ারে দুর্গাপূজা
ভূরাজনীতির নতুন উদীয়মান বন্ধুত্ব ও শত্রুতা
পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য, যার রক্তে ছিল প্রতিবাদের আগুন
কলঙ্কিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা পীঠ