কেবি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৫৬ পি.এম
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সাদা সাদা থোকায় থোকায় ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ। ১৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সজিনা গাছের ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল।
এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়তে শুরু করছে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলে মোহিত হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বসত বাড়ির উঠান, রাস্তার ধারে, আনাচে কানাচে ও পতিত জমির আইলে প্রায় ২৫ হাজার সজিনা গাছ আছে। প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে কমপক্ষে ১/২ টি সজিনা গাছ রয়েছে। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছে ফলনও ভালো হয়।
প্রতিবছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয়। তবে রোপনকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়। এ উপজেলায় সজিনার ২টি জাত রয়েছে একটি হালো সিজিনাল এবং আরেকটি বারোমাসি সজিনা। সজিনার ফুল জানুয়ারীর শেষ থেকে আসা শুরু করে। এবং বারো মাসি সজিনার গাছে বছরে কয়েক বার ফুল আসে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সেঃ মিঃ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয়।
ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪ শত থেকে ৫ শত ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০-৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলায় ৫ হাজার সজিনার ডাল রোপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ডাল থেকে গাছ হয়েছে। সজিনার মৌসুম শেষে এ বছরও ডাল রোপন করা হবে। এ উপজেলার সব ধরনের মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে।
সজিনা অতি পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী এবং এটিকে সুপার ফুড বলা হয়ে থাকে। সজিনা ও তার পাতা খাওয়া বাদেও গাছের শেকড় ও ছাল ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যাপক কাজে লাগে। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে।
উচ্চ মূল্য পাওয়ায় অনেকে বানিজ্যিকভাবে সজিনার চাষ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। উপজেলা কর্মকর্তা কৃষিবিদ সহীদুল ইসলাম জানান, ঠান্ডা-গরম, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। এ বছর সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরেছে। সজিনা গাছের পাতা, ফুল, কচি পড, বাকল, শিকড় ইত্যাদি শরীরের জন্য উপকারী। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ বছর প্রাকৃতিক বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে সজিনার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যায়।
বৈটাখালী নদী শুকিয়ে হাওরের তিন হাজার একর বোরো জমিতে সেচ বন্ধ
মিষ্টি ভুট্টা চাষ করে সোহেলের অবিশ্বাস্য চমক
কিশোরগঞ্জের হাওরে বোরোর বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের
রাণীশংকৈলে স্ট্রবেরি চাষে স্বাবলম্বী ইসরাফিল
যমুনার চর রাঙাচ্ছে লাল মরিচ, বাম্পার ফলনেও হতাশ কৃষকরা
সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ
ঝিনাইগাতীতে সরিষার বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি
বেগুনের ওজন ১ কেজি
সিলেটের চা বাগান গুলো প্রুনিং পদ্ধতি শুরু
আলুর দাম কমায় কৃষকদের মাথায় হাত
কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত না হলে সংকটে পড়বে কৃষি খাত
রঙিন ফুলকপিতে বীরগঞ্জের কৃষকের স্বপ্ন জয়
মিঠামইন হাওরে ৫০ একর বোরো জমিতে সমালয় চাষাবাদ
পীরগঞ্জে রাইস ট্রান্সপ্লান্টের সাহায্যে ধানের চারা রোপণ উদ্বোধন
শ্রীমঙ্গলে এসিউর এগ্রি কেয়ারের আদর্শ চাষী মিটিং
ইসলামপুর পতিত জমিতে বেড়েছে ভুট্টা চাষ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
শেকৃবি'র উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ ও এমজিবি'র উদ্যোগে নগর কৃষির প্রসার
গৌরীপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা
ধানের চেয়েও খড় বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে
সরিষা ফুলের মধু আহরণে স্বাবলম্বী মৌয়ালরা
চট্টগ্রামে লবণের উৎপাদন বাড়লেও দাম পাচ্ছেন না কৃষক
কনকনে শীতে বিপাকে হাওরের কৃষকরা
মৌলভীবাজারে স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা
মৌলভীবাজারে স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা
পীরগঞ্জে জলাবদ্ধ জমিতে পানি ফল চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে
পীরগঞ্জে বীজ আলুর মুল্য বৃদ্ধি পর্যাপ্ত উৎপাদন নিয়ে আশংকা
আমন ধানের বাম্পার ফলনে খুশি রাণীশংকৈলের কৃষকরা
পীরগঞ্জে সব্জি মুলার কদর বেড়েছে
বীজ আলুর ঘাটতিতে কৃষক
বস্তায় আদা চাষে সফল ফুলবাড়ীর বাবু