MA ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৩৭ এ.এম
এনএস ডেস্ক
মিষ্টি কুমড়া চেনেন না এমন মানুষ বোধ হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। মিষ্টি কুমড়া দেখতে মিষ্টি হলেও খেতে কিন্তু মুখ ভরে
যাওয়া মিষ্টি নয়। এর মধ্যে পুষ্টিগুণের অভাব নেই। মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে উচ্চ মাত্রার নানা রকম ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। তাই আপনার পাতে মিষ্টি কুমড়া রাখতে পারেন আনন্দের সঙ্গে।
আপনি চাইলে মিষ্টি কুমড়া বাজার থেকে পুরো বা ফালি করে কিনতে পারেন। এটি টিনজাত কৌটায়ও পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরা এই সবজিটি ভাজি করে, তরকারির সঙ্গে মিশিয়ে বা ভর্তা করে খাওয়া যায়। চাইলে কাঁচাও খেতে পারেন। আর কুমড়ার সঙ্গে যদি চিংড়ি মিশিয়ে রান্না করেন, তাহলে তা আপনার মন কাড়ার পাশাপাশি জিভে স্বাদের মাত্রাও বাড়িয়ে দেবে।
এক কাপ চৌকো করে কাটা কুমড়া থেকে পাওয়া যায়- ১২৬ ক্যালরি, ০ গ্রাম চর্বি, ১ গ্রাম প্রোটিন, ৭.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৫ গ্রাম আঁশ, ৩ গ্রাম চিনি। আর টিনজাত কুমড়া থেকে পাবেন ৮৩ ক্যালরি, ০.৭ গ্রাম চর্বি, ২.৭ গ্রাম প্রোটিন, ১৯.৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৭ গ্রাম আঁশ, ৮ গ্রাম চিনি।
মিষ্টি কুমড়ায় পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে, যা হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি ভালো থাকলে রক্তচাপ নিয়স্ত্রণে থাকবে। আর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকলে আপনার স্বাস্থ্যের অনেক দিকই ঝুঁকিমুক্ত থাকবে।
মানবদেহের সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যকর রক্তচাপ, স্বাভাবিক হৃদগতি ও পেশির কার্যকারিতা প্রয়োজন। এসবের জন্য চাই পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে কিডনিতে পাথর ও হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। যতটা জানা যায়, দেহে পটাশিয়ামের দৈনিক চাহিদা হলো ৮ হাজার ৭০০ মাইক্রোগ্রাম। শুধু এক কাপ মিষ্টি কুমড়া থেকেই আপনি পাবেন ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পটাশিয়াম। মিষ্টি কুমড়া পাকস্থলীর উপকার করে। এর আঁশ দেহ থেকে কোলেস্টেরল বের করে দিতে পারে। রক্তে থাকা শর্করার মাত্রায় ভারসাম্য আনে। এতে থাকা ‘প্রি-বায়োটিক ফাইবার’ অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলার কারণে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ভালো থাকে।
এক কাপ মিষ্টি কুমড়ায় এক ১০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি, প্রায় ১,৯০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ এবং ২.৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ই পাওয়া যাবে। এসব ভিটামিন ত্বকের জন্য খুব উপকারি। সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মিও কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, সেটি রিকভার করতে পারে মিষ্টি কুমড়া। এছাড়া ত্বক আর্দ্র রাখতে ও ত্বকে ফ্রি র্যাডিকেলস থেকে সৃষ্ট ক্ষতি কাটাতে সহায়তা করে।
মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে, বিটা ক্যারোটিন। এটি দেহের সংস্পর্শে এসে পরিবর্তিত হয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে। এছাড়া এই সবজিতে রয়েছে, লুটেইন এবং জিয়াক্সানথিন। এই দু’টি উপাদান বয়সের কারণে সৃষ্ট দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতা কমাতে পারে।
তুলনামূলক সহজলভ্য মিষ্টি কুমড়ায় ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে উচ্চমাত্রায়। এ দু’টি ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি