MA ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:২৫ পি.এম
মুনতাহা মায়মুনা
রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় এখন পছন্দের এক নাম মেট্রোরেল। সময় যতো যাচ্ছে এ বাহনটির প্রতি নাগরিকদের আস্থা ততই বাড়ছে। স্বল্পসময়ে অনেকটাই আরামদায়কভাবে গন্তব্যে যেতে মেট্রোরেল হয়ে উঠেছে এক নির্ভরতার প্রতীক। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াতকারীরা এখন মেট্রোরেলের ওপর অনেকটাই ভরসা করেন। সে কারণেই দিন যতো যাচ্ছে, প্রতিদিনই মেট্রোরেলের যাত্রীসংখ্যা বেড়ে চলেছে।
সবশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রয়ারি) মেট্রোরেল একদিনে ৪ লক্ষাধিক যাত্রী পরিবহনের রেকর্ড গড়েছে। সেদিন প্রথমবারের মতো চার লাখ তিন হাজার ১৬৪ জন যাত্রী পরিবহন করেছে এ বাহনটি। ফেসবুকের এক পোস্টে মেট্রোরেল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এ তথ্য জানিয়েছে।
এটি অত্যন্ত আনন্দের যে, একদিনে এতো সংখ্যক যাত্রী পরিবহন করেছে মেট্রোরেল। একটু পেছনে ফিরলে দেখা যাবে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি মেট্রোরেলে সর্বাধিক প্রায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হয়েছিল। ২৩ জানুয়ারি এ সংখ্যা ছিল তিন লাখ ৮১ হাজারের মতো। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, মেট্রোরেলে প্রতিদিনই যাত্রী বাড়ছে। এর মাধ্যমে এটা ষ্পষ্ট হলো যে, সময় যতো যাচ্ছে মেট্রোরেলের প্রতি মানুষের ভরসা বাড়ছে।
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এ ভরসা ধীরে ধীরে বেড়েছে। অর্থাৎ মেট্রোরেলে আগে যারা নানা কারণে চড়তেন না, তারাও এর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। এ অবস্থায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ কিভাবে নাগরিকদের আস্থাকে ধারণ করে সামনের পথে এগোবে, সেটা
এখনো ষ্পষ্ট নয়। জনগন মনে করে, বর্তমানে যে রুটে মেট্রোরেল চলছে, সে রুটে ট্রেন এবং বগি দু’টোর সংখ্যাই বাড়ানো প্রয়োজন।
এছাড়া, শুক্রবার সকাল থেকেই ট্রেন চালানো, ট্রেনের সময়সূচি উভয় দিক থেকে অন্ততঃপক্ষে রাত ১১টা পর্যন্ত রাখা এবং ট্রেন গমনাগমণের মধ্যবর্তী সময় আরও কমিয়ে দেওয়ার পক্ষে অনেকেই। কিন্তু কবে নাগাদ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
জনগন চায় স্বস্তির যাত্রা। দেশে গণপরিবহনের নৈরাজ্যে বিরক্ত জনগন মেট্রোরেলে তাদের সে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে। এর মাধ্যমে জনগন যে আনন্দটুকু পাচ্ছে, তা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে সরকারকে। সেক্ষেত্রে সরকার মেট্রোরেলের সংখ্যা বাড়িয়ে নাগরিকদের আরও আস্থাশীল করে তুলতে পারে। নাগরিকদের প্রত্যাশা যত তাড়াতাড়ি পূরণ হবে, সরকারের প্রতি মানুষের আস্থার পরিমাণ ততই বিস্তৃত হবে।
লেখক: গবেষক ও উন্নয়ন কর্মী
এগোতে হলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নারী
দিনবদলের অঙ্গীকারে নতুন দল ও জনগনের প্রত্যাশা
আঞ্চলিক ভাষা বাংলার অলঙ্কার স্বরুপ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ব্যবস্থা নিন
আরও গতিশীল হোক মেট্রোরেল
রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রের ভাষা ও গণতন্ত্র
ছালেহার কালো বোরখা
সেলিম আল দীন : বাংলানাটকের শিকড় সন্ধানী গবেষক
নির্বাচনী রাজনীতি
পূর্বাচলে একের পর এক লাশ: অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে এলাকা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি
চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো প্রভাবশালীদের দখলে
শব্দ সন্ত্রাস, সুস্থতার অধিকারে করছে বিঘ্নতার সৃষ্টি
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম : উদ্যোক্তা সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা
অসুরনাশীনি আঁধার বিনাশীনি দেবী দুর্গা
বিশ্বখ্যাত টাইম স্কয়ারে দুর্গাপূজা
ভূরাজনীতির নতুন উদীয়মান বন্ধুত্ব ও শত্রুতা
পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য, যার রক্তে ছিল প্রতিবাদের আগুন
কলঙ্কিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা পীঠ