MA ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:২১ এ.এম
এনএস ডেস্ক
শীতকালে সবজির সমাহারে একটি জনপ্রিয় উপাদান পেঁয়াজ পাতা বা পেঁয়াজ কলি। বাঙ্গালি জীবনে শীতকাল মানেই একটু ভিন্ন কিছু, একটু বাড়তি পাওনা। অনেকে সবজিতে পেঁয়াজ পাতা দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ সরিষার তেল দিয়ে পেঁয়াজ পাতার ভর্তা করে খান। কেউবা আলুর সঙ্গে পেঁয়াজ পাতা মিশিয়ে ভাজি করে খান। এরকম বহু পদে পেঁয়াজ পাতার ব্যবহার রহুদিন ধরে চলে আসছে।
একসময় গ্রামীণ জনপদে পেঁয়াজ পাতার নানা পদের খাবার দেখা গেলেও এখন নগর জীবনেও এর কদর বেড়েছে।পুষ্টিবিদদের মতে, পেঁয়াজ পাতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, থায়ামিন, সালফারসহ গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন রয়েছে। এ ছাড়া পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাসসহ ডায়েটারি ফাইবার পাওয়া যায় পেঁয়াজ পাতায়। তাই বলে, বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ পাতা খাবেন না কিন্তু। এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও
মাথায় রাখতে হবে।
পেঁয়াজ পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলী রক্তের বাড়তি সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।এছাড়া শীতকালীন ঠান্ডা সারাতে কাজ করতে পারে। পেঁয়াজ পাতা উচ্চ ফাইবারে ভরা। ফলে এটি হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এর ফলে হজমজনিত সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মিলবে। আর তেমনটি হলে কোলনের সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন আপনি। এছাড়া ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভুমিকা রাখে পেঁয়াজ পাতা।
শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধী গুণাবলী রয়েছে পেঁয়াজ পাতায়। শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে পেঁয়াজ পাতা উপকারী। যাদের করোনারী হার্ট ডিজিজ বা হার্টের ছোটখাটো কোনো সমস্যা রয়েছে, তারা পেঁয়াজ পাতা খেতে পারেন। কারণ এতে থাকা সালফার হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। তবে তার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেবেন। খাবারে যাদের রুচি কমে গেছে, তারা পেঁয়াজ পাতা খেয়ে দেখতে পারেন। রুচিবৃদ্ধির পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন।
কিছু সতর্কতা:
এতো গুণে ভরা দেখে আবার বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ পাতা খাবেন না কিন্তু। তাতে করে অ্যাসিডিটি ও বদহজম হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় যদি বেশী পরিমাণে পেঁয়াজ পাতা খান তবে খেয়ে বিপদে পড়তে পারেন। বেশি পরিমাণে খাওয়ার পর সেটি যদি শরীর থেকে বের হতে না পারে তাহলে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যাদের রক্তে বাড়তি পটাশিয়াম আছে তারা পেঁয়াজ পাতা কম খাবেন। না খাওয়াই সবচেয়ে উত্তম। যাদের হার্টে ব্লক রয়েছে বা ভিটামিন কে জাতীয় খাবারে নিষেধ আছে, তাদেরও পেঁয়াজ পাতা এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এতে থাকা ভিটামিন কে-এর কারণে ক্ষতি হতে পারে।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি