MA ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:১০ এ.এম
এনএস ডেস্ক
শীতকাল এলেই তাজা শাক-সবজির মনমাতানো রং মাতিয়ে তোলে বাঙ্গালি হৃদয়। নানা রকম সবজির সমাহার শুধু শীত এলেই দেখা যায়। এর মধ্যে বেশ দৃষ্টিনন্দন ও উপকারী সবজি ফুলকপি। কিছু ক্ষেত্রে ফুলকপির অপকারিতা থাকলেও এটি সাধারণত সব ভোজনরসিকই পছন্দ করেন।
ফুলকপি উৎপাদনের মুল সময় শীতকাল। এসময় এ সবজির স্বাদ অসাধারণ। তবে এখন কমবেশী সারা বছরই এ সবজিটি মেলে। বাজারে সাদা, হলুদ ও বেগুনী এই তিন রংয়ের ফুলকপি পাওয়া যায়। এর মধ্যে সাদা ফুলকপির চাহিদা বেশী।
ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি৬, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, ফসফরাস, ফাইবার, ফলেট, পটাসিয়াম, ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। শরীর সুস্থ রাখতে এসব উপাদান খুবই প্রয়োজনীয়।
ফুলকপি সরিষা পরিবারে সদস্য। এছাড়া ব্রোকলি, বাঁধাকপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট এ পরিবারের সদস্য। ফুলকপি সাধারণত ক্রুসিফেরাস সবজি হিসেবে পরিচিত। এই গোত্রের সবজি হজমে সমস্যা হয় কখনো কখনো। বিশেষ করে আধাসেদ্ধ বা কাঁচা অবস্থায় খাওয়া হলে এটি হজম করা কারো কারো জন্য কঠিন হতে পারে। তেমনটি হলে শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
ফুলকপির উপকারিতা:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুলকপিতে থাকা উপাদান সালফোরাফেন বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে।
এটি শরীরে থাকা টিউমারের বৃদ্ধিও ঠেকিয়ে দিতে পারে। এই সালফোরাফেন উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে এবং কিডনি সুস্থ রাখতে পারে। স্তন ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও মূত্রনালীর ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এই উপাদান। ফুসফুসের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু প্রতিরোধ করতে পারে ফুলকপির উপাদান।
ভিটামিন বি ও কোলিন ফুলকপিতে থাকা দু’টি উপাদান। ফলে সবজিটি খেলে মস্তিস্কের উপকার হয়। একদিকে ডায়েটারি ফাইবার, অন্যদিকে ক্যালোরি ও ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে ফুলকপিতে। তাই ওজন কমাতে ফুলকপির জুড়ি নেই। এ সবজিটির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও সালফার জাতীয় উপাদান খাবার হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক। দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড রয়েছে ফুলকপিতে।
ফুলকপিতে আছে ভিটামিন বি, সি ও কে। এসব ভিটামিন শীতের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি, জ্বরভাব, গা ব্যাথা দূরসহ নানা সমস্যায় উপকারী। প্রচুর আয়রণ থাকায় শরীরে রক্ত তৈরিতে ফুলকপি ভুমিকা রাখতে পারে। ফুলকপিতে ভিটামিন এ-এর পরিমাণ বেশি থাকে, যা চোখের জন্য প্রয়োজন। তাই চোখ ভালো রাখতে ফুলকপি খেতে পারেন। চুল, ত্বক ও সাধারণ কাঁটাছেঁড়া ও ইনফেকশন প্রতিরোধে ফুলকপি অতুলনীয়।
ফুলকপির অপকারিতা:
এতো গুণে ভরা ফুলকপি আবার অনেকের জন্য খেতে মানা। বিশেষ করে যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, তারা থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে আসা না পর্যন্ত ফুলকপি খেতে পারবেন না। যারা সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও অতিরিক্ত ফুলকপি না খাওয়া ভলো। বেশি পরিমাণে ফুলকপি খেলে গ্যাস্ট্রিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে নারীরা গর্ভাবস্থায় রয়েছেন বা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ফুলকপি খাবেন। কারণ কিছু কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে ফুলকপি বা এ গোত্রের সবজি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি