MA ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০১:০১ এ.এম
এনএস ডেস্ক
মধু- সৃষ্টিকর্তার এক অপার দান। মধুর মধ্যে কত্তো যে গুণ, তা বলে শেষ করা যাবে না। যারা তেঁতো কথা বলেন; তাদেরকে অনেক সময় শুনতে হয় জন্মের পর কি মুখে মধু দেয়া হয়নি। ডায়াবেটিস না থাকলে সারা বছরই মধু খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। তবে শীতকালে মধু বিশেষভাবে শরীরের কাজে লাগে।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞের মতে, মধুতে ২৫-৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ রয়েছে। এছাড়া ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুকটোজ, ০.৫ থেকে ৩ শতাংশ সুক্রোজ ও ৫ থেকে ১৩ শতাংশ ম্যালটোজ রয়েছে। সব মিলিয়ে মধুতে থাকা গ্লুকোজের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা মধু এড়িয়ে চলাই ভালো।
বিশেষজ্ঞরা জানান, মধুতে শরীরের জন্য উপকারী অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের পাশাপাশি
রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি অ্যাডিপোনেক্টিনের মাত্রা বাড়াতে পারে বলে জানা যায়। এর ফলে হরমোনের প্রদাহ কমে।
শীত এলেই ঠান্ডা লাগার কারণে গলা খুসখুস বা অনেকের কাশির সমস্যা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস না থাকলে এ অবস্থায়
প্রতিদিন মধু খান। হালকা গরম পানিতে সামান্য লেবুর রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে আপনার গলার কাছে জমে
থাকা কফ বের করে দিতে সাহায্য করবে। এছাড়া গলার খুসখুসে ভাবও কমে আসবে। নিয়মিত মধু খেলে কাশি কমার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
মানবদেহ সুস্থ রাখার জন্য রক্তচাপ ঠিক রাখা জরুরি। শরীরের জন্য উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ কোনোটাই ভালো নয়। শীতের সময় যাদের রক্তচাপ বেড়ে যায়, তারা নিয়ম করে মধু খেতে পারেন; যদি ডায়াবেটিস না থাকে। মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া মধু হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।
বিশেষজ্ঞের মতে, বাড়তি মেদ ঝরানোর কাজে মধুর জুড়ি নেই। এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো সর্দি-কশি নিরাময়ে কার্যকারিতা। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বলে, যাদের ঠাণ্ডা লাগার ধাত রয়েছে, তারা প্রতিদিন সকালে মধুর সঙ্গে নিয়মিত তুলশি পাতার রস মিশিয়ে খেলে এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে সেরে যাবে পুরনো কাঁশি।
শীত এলে নানা কারণে বিভিন্ন ধরণের অসুখ-বিসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই শীতে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায়
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। নিয়মিত মধু খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মধুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউন সিস্টেম ঠিক রাখে। ফলে বিভিন্ন অসুখ থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। স্মৃতি শক্তি বাড়াতে ও মস্তিস্কের সুরক্ষায় মধু ভালো কাজ দেয়। ফলে অ্যালজাইমার্সের মতো ভয়াবহ রোগের সম্ভাবনা কমতে পারে।
মধুতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান পিত্তথলির সংক্রমণ রোধ করতে সক্ষম। সেজন্য মধুর সঙ্গে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেতে হবে। এই মিশ্রণ পিত্তথলিকে বাইরের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ শরীরের
বাড়তি মেদ ঝরিয়ে দিতে পারে। প্রতিদিন গরম পানির সঙ্গে মধু ও দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে ফলটা নিজেই বুঝতে
পারবেন কয়েকদিন পরে।
টানা নয়, কেনাকাটা সারুন বুঝে-শুনে
সোনামনিদের নিয়ে ঝক্কিহীন শপিং যেভাবে করবেন
ঈদ শপিংয়ে সতর্ক থাকুন
ইফতারে ঠান্ডা পানি পান ঝুঁকিপূর্ণ
ইফতারে সিদ্ধ ডিমে চাঙ্গা হোন
ইফতারে আনুন ভিন্নতা: ক্রিমি ফ্রুট ফিউশন
ইফতারে হালিম রেখেছেন কি?
ইফতারে খান বেলের শরবত
রোজায় সুস্থ থাকতে দই-চিড়া খান
রোজায় সুস্থ থাকতে মেনে চলবেন যে বিষয়গুলো
গুণের শেষ নেই ক্যাপসিকামে
বিটরুট হলো ‘সুপার ফুড’, তবে...
টমেটো খান, তবে অপরিমিত নয়
প্রতিদিন অন্তত একটি গাজর খান
দারুণ উপকারী দারুচিনি
সুস্থ থাকতে আদা খান
আগাছা হিসেবে জন্মালেও পুষ্টিগুণে ঠাঁসা বথুয়া শাক
মেথি শাকের জাদুকরী প্রভাব
পাট শাকে যেসব উপকার
পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ডাঁটা শাক
রোজায় সুস্থ থাকতে চিয়া সিডের সঠিক ব্যবহার
গুণের অভাব নেই কলমি শাকে
অবহেলা করবেন না নুনে শাক
পুষ্টির খনি লাউ শাক
লাউ যেন এক মহৌষধ!
এই গরমে পাতে রাখুন পটোল
খেতে ভুলবেন না গিমা শাক
কাদা পানিতে জন্মালেও হেলেঞ্চা কিন্তু উপকারী
কচুর ছড়া বা কচুমুখির নানা গুণ
পুষ্টিগুণে ভরপুর কচুর লতি