কেবি ১৫ নভেম্বার ২০২৪ ০৭:০৩ পি.এম
এনএস ডেস্ক : ঢাকা সিটি কলেজের প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থীর অনির্দিষ্টকালের জন্য সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষাজীবন বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও হতাশায় পড়েছেন।
বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিল শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনায় কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে ১৮ দিন (শুক্রবার ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত)। শিগগিরই কলেজ খুলবে এমন কোনো নিশ্চয়তাও নেই।
অভিযোগ রয়েছে, আগের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বেদার উদ্দিনকে জোর করে পদত্যাগ করিয়ে অবৈধভাবে পদ দখল করেন অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আন্দোলনের কারণে ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। তবে অধ্যক্ষ নেয়ামুল এখনও পদত্যাগ করেনি।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৮ অক্টোবর পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করে অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণ, বৈধ অধ্যক্ষকে ফিরিয়ে আনাসহ কয়েক দফা দাবিতে প্রতিষ্ঠানের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। গভর্নিং বডি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ উঠেছে, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদ দখল করতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের নিয়ে আসেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক। অধ্যক্ষ মো. বেদার উদ্দিনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নিয়ে ওই দিনই সন্ধ্যায় (৭ আগস্ট) নেয়ামুল হক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব বুঝে নেন অধ্যাপক মো. নেয়ামুল হক। কলেজের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোখলেছুর রহমানকে নিয়োগ দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে।
এভাবে আন্দোলন ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গড়ালে ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। নোটিশে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা জানানো হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেই নেয়ামুল হক নোটিশ জারি করেন পরদিন ৮ আগস্ট জরুরি সভা করার জন্য। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে অধ্যাপক কাজী নেয়ামুল হক গত ১১ আগস্ট অধ্যক্ষ এবং ‘কোনো কারণ ছাড়াই’ ছয় শিক্ষককে অফিস আদেশ দিয়ে কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে ৮ আগস্ট ‘শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ’ হওয়ার কারণ দেখিয়ে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের কাছে এক মাসের ছুটির আবেদন করেন অধ্যক্ষ বেদার উদ্দিন।
গভর্নিং বডির সভাপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘উচ্চ আদালনের আদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্টরা আইনগতভাবে বাস্তবায়ন করবেন। আরেকটি বিষয় হচ্ছে—শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজে রেগুলার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু এই নিয়োগ দিতে তো সময় লাগবে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগে কোনোভাবে একজন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ করার। কিন্তু তারা (শিক্ষার্থী) কোনোভাবেই মানছে না। নিয়োগ দেওয়া সময়সপেক্ষ ব্যাপার। এখন গভর্নিং বডি নিয়ে আমরা বসবো। দুই- একদিনের মধ্যে বসে সিদ্ধান্ত নেবো।
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে সেনাবাহিনী থাকা নিয়ে ধোঁয়াশা
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আরেকটি জুলাই আন্দোলনের প্রয়োজন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল
প্রশ্নপত্র বিভ্রাট: ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল প্রকাশে বাধা
৭ কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হচ্ছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
ক্যাম্পাসে হয়নি অধ্যাপক আরেফিনের জানাজা
নারী নির্যাতন বৃদ্ধির পেছনে ষড়যন্ত্র দেখছে সাদা দল
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের শাস্তির দাবি
চবির 'বি ইউনিটে' আসন প্রতি লড়ছে ৫৯ জন শিক্ষার্থী
ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে মেধার লড়াই, বিজ্ঞানচর্চার অনুপ্রেরণা
সব শিক্ষার্থী ১০ মার্চের মধ্যে বই পাবে : বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা
খুবির বিতর্ক সংগঠন নৈয়ায়িকের নতুন কমিটি ঘোষণা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সাদা দলের ১১ দফা দাবি
সরকারি প্রাথমিকে ৬৫৩১ শিক্ষক নিয়োগপত্র পাচ্ছেন আজ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪০ দিনের ছুটি
চবির ভর্তিতে আসনপ্রতি লড়ছেন ৫৫ শিক্ষার্থী
কুয়েট ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা, হল না ছাড়ার ঘোষণা আন্দোলনকারীদের
গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধে ঢাকা-রাজশাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ
কুয়েট শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে অনড়
কুয়েটে সব ধরনের রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা সিন্ডিকেটের
হাবিপ্রবিতে চার দিনব্যাপী একুশে বইমেলা শুরু
কুয়েটের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা, ভিসি অবরুদ্ধ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন, রুটিন প্রকাশ
কুয়েট ভিসির পদত্যাগসহ ৫ দাবিতে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম
আইনি প্রক্রিয়া মেনে শিক্ষক নিয়োগের ফল ঘোষণা হয়েছে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা
জবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেন পঞ্চাশোর্ধ তাওহিদুর
শাবিপ্রবিতে নিহত ছাত্রের গায়েবানা জানাজা ও প্রতিবাদ সমাবেশ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক বিশৃঙ্খলা: ভুল কোর্সের দায় কার?
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে মহাসড়ক বন্ধ
সাতক্ষীরায় মশাল মিছিল: শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ