শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
সারাদেশ

হিন্দু ভাইদের মন্দিরে পাহাড়ার প্রয়োজন কেন : ডা. শফিকুর রহমান

কেবি ০২ সেপ্টেম্বার ২০২৪ ০৫:০০ পি.এম

হিন্দু ভাইদের মন্দিরে পাহাড়ার প্রয়োজন হবে কেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান

দিনাজপুর প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মসজিদে যদি পাহাড়ার প্রয়োজন না হয়, তাহলে হিন্দু ভাইদের মন্দিরে পাহাড়ার প্রয়োজন হবে কেন। হাজারো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এ বিপ্লব এই পরিবর্তন এই আন্দোলনের সফলতা একে অবশ্যই আমরা পাহাড়াদারি করবো। এর কোন ধরণের অপমান এ জাতি সহ্য করবে না।  এ আন্দোলন বিশেষ কোন জনগোষ্ঠীর কিংবা সম্প্রদায়ের নয়। এর জন্য আপামর জনগন রাস্তায় নেমে এসে সফল করেছে। এর জন্য নির্দিষ্ট কোন ধর্মের লোকেরা শুধু লড়াই করে নাই। জাতি দল ধর্ম নির্বিশেষে আপামর জনতার এ আন্দোলনকে কেউ যদি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় তাহলে আবারও বাংলাদেশের ১৮কোটি মানুষ তা রুখে দেবে। আমরা সেই ১৮কোটি মানুষের সাথে থাকবো। অগ্রভাগে থাকবো আমরা কথা দিচ্ছি।

ক্ষমতার মালাই খাওয়া জামায়াতে ইসলামির উদ্দেশ্য নয়। সমাজের গুনগত একটা পরিবর্তন আনাই জামায়াতের উদ্দেশ্য। এমন একটি দেশ এমন একটি জগত আমরা চাই যেই দেশে জাতি দল ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষ ‍শান্তিতে বসবাস করবে। এদেশের নাগরিক হিসেবে দেশে এবং প্রবাসে যেখানেই থাকুক গর্বের সাথে বলবে আমি বাংলাদেশি। এখানে বিশেষ বিশেষ সময়ে কোন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়, বাড়িঘর পাহাড়া দেওয়ার প্রয়োজন হবেনা। কারণ যারাই জন্মগতভাবে এ দেশে জন্মগ্রহণ করবে তারা এদেশের সৌভাগ্যবান নাগরিক। আমার যদি বাড়িতে পাহাড়া না লাগে, আমার মসজিদে যদি পাহাড়ার প্রয়োজন না হয় তাহলে হিন্দু বন্ধুদের মন্দিরে পাহাড়ার প্রয়োজন হবে কেন। আমরা এই ধরনের কোন বৈষম্য চাই না। আমরা চাই আমাদের সন্তানরা যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গিয়েছে এর মাধ্যমে সকল প্রকার বৈষম্যের কবর রচনা হউক।

বাংলাদেশ একটা বৈষম্য বিহীন দেশে পরিণত হউক। দুনিয়ার জাতিগুলো আমাদেরকে নিয়ে যেন গর্ব করতে পারে এই রকম মাথা উচু করে দাড়ানোর জন্য একটা জাতি আমরা গঠন করতে চাই। এখানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারের কাছে এসেছি ঋণ পরিশোধ করার জন্য। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের প্রত্যেকের বাড়িতে যাওয়া উচিত ছিলো। ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের সমবেদনা জানানোর দরকার ছিলো। কিন্তু ছোট একটা মানুষ কিছু ব্যস্ততা রয়েছে, ঢাকায় বিশেষ কাজে আমাকে অংশগ্রহণ করতে হবে। এজন্য আমি সকলের বাসায় যেতে পারলাম না। আমাকে মাফ করে দেন। যারা দয়া করে এখানে এসেছেন আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এটা ভালোবাসার ফল। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি আল্লাহতালা নিজেই যেন তাদের সকলের পরিবারের একান্ত অভিভাবকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাদের সন্তান সন্ততি যারা আছেন তারা তাদের পরিবারের বীরের  মর্যাদাকে বুকে ধারণ করে আগামীতে যেন তারা গর্ব করে বলতে পারে আমাদেরও একজন শহীদ আছে, আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন বলতে পারে আমাদেরও আবু সাঈদ আছে, আমাদেরও রুদ্র আছে, আমাদেরও মুগ্ধ আছে আমাদেরও রিয়া আছে, কান্তা আছে। আমাদের এরকম হাজার হাজার শহীদ আছে। আমরা সেই বীরদের অনুসারী। তারা যেন অনুপ্রাণিত হয়। সত্যের পথে কল্যানের পথে নিজেকে নিজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

আমরা আনন্দিত। আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাড়াকাড়ি মারামারি হতো, মানুষ চলাফেরা করতে আতঙ্কের মধ্যে থাকতো। এখন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাই ভরসা। এই বন্যার সময় নিজেরা প্রথমে যা পেরেছে তাই দিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাড়িয়েছে। পরে রুমাল বিছিয়ে বলেছে আসুন আমরা সবাই মিলে বিপন্ন বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই। মানুষ শিক্ষার্থীদের আহবানে পাশে দাড়িয়ে যে যতটুকু পেরেছে বন্যার্ত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে। যে গর্বিত শহীদ পরিবারের সদস্যরা চিরদিন তারা যেন বীর পরিবারের পরিচয় দিতে পারে এই সমাজ যেন তাদের ঋণ পরিশোধে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।

আরও খবর

news image

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত হলো গৌরীপুরের ইয়াসিন

news image

১৫ ঘণ্টা পর অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু

news image

টিকে থাকার লড়াইয়ে মৃৎশিল্প কারিগররা

news image

আরাধ্যকে নেওয়া হলো আইসিইউতে

news image

২ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

news image

রাণীশংকৈলে সদ্য নিযুক্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোস্তাফিজুরকে গণসংবর্ধনা 

news image

রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা

news image

রাজশাহীর ৯১৩ চালকলের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি

news image

কক্সবাজারে প্রাণ ফিরেছে পর্যটক ঢলে 

news image

দেশের নদী-নালায় আবার মিলবে গোটালি মাছ

news image

ঈদের ছুটিতে পর্যটক আসতে শুরু করেছে কক্সবাজারে

news image

প্রত্নপর্যটনের ঠিকানা হোক সিলেট

news image

শ্রীমঙ্গলে চাঁদরাতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, আহত শতাধিক 

news image

পদ্মা সেতুতে ঈদে টোল আদায় ১৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা

news image

মাগুরায় নিহত শিশু আছিয়ার পরিবারকে বিএনপির আর্থিক সহায়তা

news image

টাঙ্গাইলের বড় বাসালিয়া ঈদগাহে ১৪৪ ধারা জারি

news image

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট নেই, তবে ভাড়া বেশি

news image

মঠবাড়িয়ার ৮০০ পরিবার আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করলো

news image

স্বস্তিতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ

news image

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা বাংলাদেশেও, তিন অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকিতে: ফায়ার সার্ভিস

news image

তীব্র রোদে পুড়ছে ২ জেলা, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি

news image

‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বাংলা একাডেমি

news image

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ চাইলেন বিএনপি নেতা

news image

এখনো জ্বলছে সুন্দরবন, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত

news image

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইগাতীতে বিক্ষোভ-সমাবেশ

news image

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হলে ঢাকা অবরোধের ঘোষণা

news image

ধানমন্ডিতে আ’লীগের সমর্থনে মিছিল, আটক ৩

news image

ঢাকার আদালত পরিদর্শন শেষে বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময়

news image

আরও ১০৫ মেট্রিক টন আলু গেল নেপালে

news image

সিরাজগঞ্জে বিএনপির ইফতার ঘিরে সংঘর্ষে আহত নেতার মৃত্যু