বুধবার ১৬ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক

ইব্রাহিম রাইসিকে যেসব কারণে ভয় পেতো পশ্চিমা বিশ্ব

নিউজ ডেক্স ২০ মে ২০২৪ ০৪:৫৩ পি.এম

সংগৃহীত ছবি সংগৃহীত ছবি

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তার পুরো জীবন ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। তিনি ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট। একাধারে রাজনীতিবিদ ও বিচারক রাইসি বিশ্ব রাজনীতিতেও অন্যতম প্রভাবশালী নেতাদের একজন। 

২০২১ সালে ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ কট্টরপন্থী ধর্মীয় নেতা ইব্রাহিম রাইসি। কিন্তু তার আগেও রাইসি ছিলেন বেশ আলোচিত ব্যক্তি। বিশেষ করে তিনি যখন বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন। তার নানা কর্মযজ্ঞ ইসরায়েল তথা পশ্চিমা বিশ্বে তৈরি হতো ভয়ের কারণ।

তেমন কিছু ঘটনা আলোকপাত করা যাক-

দীর্ঘদিনের বোঝাপড়ার কারণে রাইসিকে খামেনির উত্তরসূরি মনে করা হতো। আর এটাই ইসরায়েলের নেতাদের জন্য ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৮৫ বছর বয়সী খামেনি প্রায় অসুস্থ থাকছেন, তাই রাইসির মতো একজন কট্টর নেতা ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হলে, ইসরায়েলকে এক দণ্ডও শান্তিতে থাকতে দিতেন না। এর নমুনাও কয়েক সপ্তাহ আগে দেখেছে ইসরায়েল। তাই ইসরায়েলের নেতারা খামেনির চেয়ে রাইসিকে বেশি ভয় পেতেন।

মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি তেহরানের পার্শ্ববর্তী শহর কারাজের প্রসিকিউটর-জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৮৯ থাকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তেহরানের প্রসিকিউটর-জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন রাইসি। ২০০৪ সাল থেকে তিনি এক দশক জুডিশিয়াল অথরিটি উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৯ সালে তাকে বিচার বিভাগের প্রধান নিযুক্ত করেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। রাইসি পরবর্তীতে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ সভার উপচেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এ সভা।

মাত্র ২৫ বছর বয়সে রাইসি তেহরানের ডেপুটি কৌঁসুলি নিযুক্ত হন। যে চারজন বিচারককে নিয়ে ১৯৮৮ সালে ‘ঘাতক কমিটি’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠা গোপন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই চারজনের একজন।

যে হাজার হাজার বন্দী তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতোমধ্যেই জেল খাটছিলেন, ওই ট্রাইব্যুনাল তাদের ‘পুনর্বিচার’ করে। এদের বেশিরভাগই ছিলেন বামপন্থী বিরোধী দল মুজাহেদিন-ই-খাল্ক (এমইকে)র সদস্য। এই গোষ্ঠী পিপলস মুজাহেদিন অর্গানাইজেশন অব ইরান বা পিএমওআই হিসাবেও পরিচিত ছিল।

ঠিক কতজনকে ওই ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল সেই সঠিক সংখ্যা জানা যায় না। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলে, প্রায় ৫০০০ পুরুষ ও নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল এবং অজ্ঞাত গণকবরে তাদের মাটি দেয়া হয় - যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে তারা তুলে ধরে। ইসলামি এই প্রজাতন্ত্রের নেতারা ওই গণহত্যার কথা অস্বীকার করেন না। তবে সেইসব ঘটনার বিস্তারিত বা বৈধতার বিষয় তারা কখনো আলোচনা করেন না।

ওই মৃত্যুদণ্ডে তার ভূমিকার কথা ইব্রাহিম রাইসি বারবার অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি একথাও বলেছেন যে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা রুহুল্লা খোমেইনির জারি করা ফতোয়ার কারণে ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশ যুক্তিসংগত ছিল।

নবীন নিউজ/পি
 

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ঢাকা পৌঁছেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

news image

আফগানিস্তানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প

news image

'আরও আঘাতের' শিকার হবে হামাস: নেতানিয়াহু

news image

ইসরায়েলি পর্যটকদের নিষিদ্ধ করল মালদ্বীপ

news image

কাল ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

news image

ইরানে আট পাকিস্তানিকে হত্যার জবাব চায় ইসলামাবাদ

news image

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ‘সম্পূর্ণ বাতিল’ চায় চীন

news image

ইরানে ৮ পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা

news image

এবার মার্কিন পণ্যের শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করলো চীন

news image

নিউইয়র্কে নদীতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, শিশুসহ ৬ জনের প্রাণহানি

news image

ডোমিনিকান রিপাবলিকে নাইট ক্লাবের ছাদ ধসে নিহত ৬৬, আহত ১৫৫

news image

৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

news image

বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

news image

নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক শেষে যা জানালেন ট্রাম্প

news image

গাজা থেকে রকেট হামলায় ইসরায়েলি শহরে আতঙ্ক

news image

ইসরায়েলকে শক্তিশালী করছে কারা? মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর দ্বিমুখী ভূমিকা

news image

আরব বিশ্বের নীরবতা, গাজার পাশে দাঁড়ালো আমেরিকা

news image

‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগানে মুখর যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ

news image

গাজায় ১৫ স্বাস্থ্যকর্মীর হত্যার ঘটনায় ভুল স্বীকার ইসরাইলের

news image

বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা সৌদির

news image

ওড়িশায় বাংলাদেশি পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১৫

news image

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার : জাতিসংঘ

news image

ইউক্রেনে রাশিয়ান বাহিনীর হামলায় নিহত ১৮ 

news image

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট আয়ারল্যান্ডের

news image

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত

news image

সাংবিধানিক লঙ্ঘনের দায়ে প্রেসিডেন্ট ইউনের বিদায়

news image

দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র

news image

নরেন্দ্র মোদির অবসর নিয়ে জল্পনা, উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

news image

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে পাইলটের মৃত্যু

news image

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৮৮৬ জন