শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
ফিচার

উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় 

নিউজ ডেক্স ১৯ মার্চ ২০২৪ ০৪:২৯ পি.এম

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি।

উদ্যোক্তা হলেন সেই ব্যক্তি যিনি কোন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন কোন আইডিয়া কিংবা পণ্য বা সেবা নিয়ে আসেন। নেতৃত্বের গুণাবলী হল মানবজীবনের অমূল্য এক রত্ন। সৃষ্টির আদি থেকেই এই গুণের চর্চা হয়ে আসছে। যে ব্যক্তিরা নেতৃত্বের গুণে গুণান্বিত হন, তারাই হয় কোনো এক নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পথপ্রদর্শক। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও এই গুণ একজন উদ্যোক্তাকে অন্য সবার থেকে অনেক এগিয়ে রাখে। 

বিশ্বের বড় বড় ব্যবসা ব্যক্তিত্বরা এই নেতৃত্বগুণেই বলেই ভূয়সী প্রশংসিত হন। তবে এই গুণ অর্জন যেমনই কঠিন আবার তেমনিই সহজ। তার জন্য সবার প্রথমেই জানতে হবে আসলে উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় কী? এরপর এই বিষয়গুলোকে নিজের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তাহলে চলুন আর  দেরি না করে জেনে নেয়া যাক একজন উদ্যোক্তা হিসেবে কোন কোন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।

কেন উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ থাকা প্রয়োজন?
সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে গুণগুলো থাকা প্রয়োজন তার মধ্যে নেতৃত্বগুণ হল অন্যতম। এই বৈশিষ্ট্য একজন উদ্যোক্তার মাঝে থাকলে বহুদূর এগিয়ে যেতে পারে। যেকোন উদ্যোগ নেওয়ার পরে সেটার পেছনে লেগে থাকলে একটা না একটা সময় সেটা অনেক দূরে অগ্রসর হয়। ব্যবসার ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটিই হয়ে থাকে। একজন উদ্যোক্তা হতে হলে আপনাকে প্রথমেই কিছু নির্বাচিত পণ্য বা সেবা নিয়ে শুরুতে হয়তো একাই উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। আপনি যদি এই উদ্যোগ নিয়ে লেগে থাকেন তবে অবশ্যই একটা সময়ে গিয়ে আপনার এই ব্যবসা বা উদ্যোগ বড় পরিসরে বিস্তৃত হবে।

ব্যবসা বিস্তৃত হলে তখন আর একজন উদ্যোক্তা একা হাতে সবকিছু সামাল দিতে পারে না। একটি ব্যবসার ঠিক এই ধাপটিতেই প্রয়োজন হয় একটা বিজনেস টীমের। আর এই বিজনেস টীমকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে অবশ্যই আপনাকে ভালো নেতৃত্বগুণাবলির অধিকারী হতে হবে। নিজের বিজনেস টীমকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে পরিচালনা করতে পারলে ব্যবসায় বহুদূর এগিয়ে যাওয়া যায়। এভাবেই ব্যবসার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের বিষয়টি চলে আসে। এছাড়া একজন উদ্যোক্তা যখন সফল হয় তখন নতুন উদ্যোক্তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানের দায়িত্ব নিতে হয়। এর জন্যও নেতৃত্বগুণ থাকা আবশ্যকীয়। 

উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় কী?
নেতৃত্বগুণ হল এমন একটি গুণ যার মাধ্যমে যেকোন ব্যবসাকে বড় পরিসরে খুব সহজেই পরিচালনা করা যায়। একটি আদর্শ কাজের পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজন সুগঠিত নেতৃত্বগুণ। ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন বা পুরাতন যেই হোক না কেন কাজের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং উৎসাহ প্রদান অতীব জরুরী একটি বিষয়। এর জন্য সকল উদ্যোক্তারই ঠিকভাবে নেতৃত্বগুণ আয়ত্ত করা উচিত। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন বা হতে চান তাহলে জেনে নিন তাই এখন উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় কী কী এসব নিয়ে আলোচনা করব। চলুন এই আলোচনা থেকে জেনে নেয়া যাক উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় কী কী। 

১। যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানো:
যোগাযোগ দক্ষতা হল নেতৃত্বগুণ বাড়ানোর অন্যতম উপায়। একজন উদ্যোক্তার যোগাযোগ দক্ষতা ভালো হলে সে অনেক মানুষের সাথে সহজেই মিশে যেতে পারে। এতে করে আশেপাশের মানুষকে বোঝা, তাদের সংস্পর্শে যাওয়া এবং তাদেরকে প্রভাবিত করার সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। আর নেতৃত্বের মূল উদ্দেশ্যই হল অপরকে প্রভাবিত করা। 

২। নিজেকে সঠিকভাবে জানা:
নেতৃত্বগুণ অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হল সর্বপ্রথম নিজেকে সঠিকভাবে জানা। নিজের পছন্দ-অপছন্দ, নিজের ভালো দিক, মন্দ দিক, নিজের শক্তি, দুর্বলতা সবকিছু নিয়ে আগে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এর জন্য নিজের সমালোচনা নিজেকেই করার অভ্যাস করতে হবে। নিজেকে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করতে হবে। নিজের ভেতরের মানুষটাকে ভালোভাবে জানতে পারলেই কেবল অপরকে নেতৃত্ব দেয়া সহজ হবে। 

৩। সৃজনশীলতা অনুশীলন করা:
যারা নেতৃত্ব দেন তাদেরকে অবশ্যই সৃজনশীল মনা হতে হয়। সৃজনশীলতা একজন উদ্যোক্তাকে খুব সহজেই উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। আবার সৃজনশীল হলে অনেক মানুষকে সহজেই সামলানো যায়। সৃজনশীল মানুষ সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দিতে পারে। এজন্য উদ্যোক্তাদের বেশি বেশি সৃজনশীলতার চর্চা করতে হবে। 

৪। অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া:
ব্যবসার ক্ষেত্রে যেকোন বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই সবার আগে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে। ঠিক তেমনি নেতৃত্বগুণ অর্জন করতে চাইলে প্রথম থেকেই কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের সংস্পর্শে আসতে হবে, তাদেরকে অনুসরণ করতে হবে, পরামর্শ নিতে হবে। 

৫। আত্মবিশ্বাস বাড়ানো:
একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মবিশ্বাস থাকা বাঞ্ছনীয়। কেননা এই আত্মবিশ্বাসকে সম্বল করেই উদ্যোক্তাদের অসম্ভবকে সম্ভব করতে হয়। আত্মবিশ্বাসী একজন উদ্যোক্তা অনেক শৃঙ্খলার সাথে নেতৃত্ব দিতে পারে। এজন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোতে মনোযোগী হতে হবে। 

৬। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে শেখা:
নেতৃত্ব দিতে গেলে আপনাকে যেকোন সময়, যেকোন পরিস্থিতিতে, যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এজন্য শুরুতেই পুরো পরিস্থিতিকে নিগূঢ়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে করে একজন লিডার হিসেবে যেকোন পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। 

৭। শৃঙ্খলার চর্চা করা:
জীবনে সফলতা লাভে শৃঙ্খলার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষত ব্যবসায়িক জীবনে শৃঙ্খলা চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বের যত বিজনেস লিডার রয়েছে তারা সকলেই নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলার পরিপূর্ণ চর্চা করে থাকে। একজন শৃঙ্খল ব্যক্তি নিঃসন্দেহেই ভালো নেতৃত্ব দিতে পারে। কেননা শৃঙ্খলার চর্চা তাকে সকল পরিস্থিতিকে পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি যোগায়। এজন্য ভালো নেতা হতে হলে আগে শৃঙ্খলিত হতে হবে। 

৮। সকলের প্রতি সহমর্মি হওয়া:
আপনার বিজনেস টীমের সকল সদস্যদের প্রতি অবশ্যই আপনাকে সহমর্মিতা দেখাতে হবে। একজন ভালো লিডারের বৈশিষ্ট্য হল টীমের সকলের ভালো-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখা। বিজনেস টীমের সদস্যদের দ্বারাই একটি ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নির্ভর করে। তাই তাদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো একজন লিডারের প্রধান কাজ। সকলের প্রতি সহমর্মি হলে খুব সহজেই টীমের অন্যান্য সদস্যদের শ্রদ্ধা এবং আস্থার জায়গা হওয়া যায়। 

৯। লক্ষ্যকে সঠিকভাবে নির্ধারণ করা:
একজন লিডারের লক্ষ্য সবসময় নির্ধারিত থাকে। সে জানে তাকে কী করতে হবে, সে কী করতে চায়। এভাবে সবকিছু পূর্ব নির্ধারিত থাকলে এবং লক্ষ্য স্থির থাকলে নিজের টীমকে সহজেই নেতৃত্ব দেয়া যায়, সে অনুযায়ী কাজ করা যায়।

১০। ধৈর্যশীল হওয়া:
নেতৃত্ব দেয়ার পূর্বশর্ত হল ধৈর্যশীল হওয়া। ধৈর্য ছাড়া কখনই একজন ভালো নেতা হওয়া সম্ভব নয়। ব্যবসায়িক জীবনে নানা টানাপোড়েন, উত্থান-পতন আসবে। তবে কোনোভাবেই ভেঙ্গে পড়া যাবে না। ধৈর্য ধারণ করে নিজের টীমকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। 

১১। সহযোগিতার মনোভাব বাড়ানো:
একজন বিজনেস লিডার হিসেবে আপনাকে অবশ্যই সহযোগিতার মনোভাব পোষণ করতে হবে। বিজনেস টীমে একেক ধরনের মানুষ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে একজন লিডার হিসেবে আপনাকে সবার প্রতি সহযোগিতার মনোভাব রাখতে হবে। সবার সমান সহযোগিতার ফলেই যেকোন বিজনেস প্রজেক্ট অনায়াসে সফল হতে পারে। 

১২। যেকোন কাজে অপরকে অনুপ্রাণিত করা:
যেকোন কাজে অপরকে অনুপ্রাণিত করতে পারা  একটি মহৎ গুণ। বিজনেস টীমের সকল সদস্য সবসময় কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণা নাও পেতে পারে। এতে করে ব্যবসার কাজে ধীরগতি নেমে আসতে পারে। এজন্য লিডার হিসেবে সহকর্মীদের সবসময় অনুপ্রাণিত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। 

১৩। কৌশলী হওয়া:
একজন বিজনেস লিডারকে সবসময় কৌশলী হতে হয়। আমরা জানি সফল ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব মানেই কৌশলী। ব্যবসার যেকোন পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সঠিক কৌশল অবলম্বন জরুরী। এজন্য বিভিন্ন সফল ব্যক্তিত্বদের ব্যবসায়িক কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে। 

১৪। নিজের সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা:
ভালো লিডারের সবচেয়ে বড় গুণ হল নিজের সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করে নেয়া। ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে-”First rule of leadership-everything is your fault”। অর্থাৎ টীমের সকল ভুল, সকল সমালোচনা একজন লিডারকেই গ্রহণ করতে হবে। সেই সাথে নিজের সমালোচনার প্রতি বিনীত মনোভাব পোষণ করতে হবে। আপনি যত নিজের সমালোচনা নিয়ে বিনীত হবেন তত বেশী নিজের ভুলগুলো শুধরে একজন ভালো এবং দক্ষ লিডারে পরিণত হবেন। 

সবশেষে:
উদ্যোক্তাদের জন্য নেতৃত্বগুণ থাকা প্রয়োজন। তবে অনেক উদ্যোক্তাই বোঝেন না যে আসলে উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়াতে করণীয় কী? নেতৃত্বগুণ কখনই একদিনে তৈরি হয়না। ধীরে ধীরে এই গুণকে আত্মস্থ করতে হয়। এজন্য প্রয়োজন শুরু থেকেই কিছু মানবিক এবং বুদ্ধিগত কাজের চর্চা করা। এই ছোট ছোট কাজগুলোকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলেই নেতৃত্বগুণও আয়ত্তে চলে আসে। আর একজন ভালো নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম হলে নিঃসন্দেহে অনেক দূর যেতে পারে। 

FAQ:
১। উদ্যোক্তাদের জন্য ‘Entrepreneurial Leadership’ কী? 
Entrepreneurial Leadership হল উদ্যোক্তাদের নেতৃত্ব। এই ধরনের নেতৃত্ব সাধারণত যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা কার্য পরিচালনার জন্য দেয়া হয়। কোনো ব্যবসায়িক কাজে রিস্ক নিয়ে, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, উদ্যোক্তা পরিচয়কে অক্ষুণ্ণ রেখে নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে সকল কিছুকে সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করার নামই হল Entrepreneurial Leadership. 

২। সফল উদ্যোক্তা হতে শৃঙ্খলা চর্চা কীভাবে করা যায়?
সফল উদ্যোক্তা হবার পূর্বশর্ত হল শৃঙ্খল হওয়া। এর জন্য প্রয়োজন প্রতিদিন একটি রুটিনের অনুসরণ। নিজের দৈনন্দিন কাজগুলো সঠিকভাবে নিয়মমাফিক করতে প্রথমেই একটা রুটিন করে নিতে হবে। ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক উভয় ক্ষেত্রেই সেই নির্দিষ্ট রুটিন প্রতিদিন অনুসরণ করতে হবে। 

৩। নিজের লক্ষ্যকে কীভাবে নির্ধারণ করতে হয়?
নিজের লক্ষ্যকে নির্ধারণের জন্য সবার আগে নিজেকে জানতে হবে, বুঝতে হবে যে আপনি আসলে কী চান। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সবার প্রথমে নিজের মনস্তাত্ত্বিক, দৈহিক এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে হবে। আপনি চাইলে নিজের আগ্রহের বিষয়, পারিপার্শ্বিক যেকোন সমস্যা বা আপনার অথবা কোনো গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে আপনার নিজের লক্ষ্যকে নির্বাচন করতে পারেন। 
সূত্র: উদ্যোক্তা.কম

নবীন নিউজ/পি
 

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ঢাকা থেকে বিলুপ্ত প্রায় কিছু আদি পেশা

news image

ঘুরে আসতে পারেন বিক্রমপুর জাদুঘর

news image

ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে একটি দর্শণীয় স্থান ফেনী 

news image

ভুটানের সেরা খাবার

news image

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে গাইবান্ধা

news image

বসন্ত বাতাসে আজ শুধু ভালোবাসার বর্ণচ্ছটা...

news image

পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে রংপুরে

news image

স্বপ্নপুরীর দেশে একদিন

news image

যা কিছু আছে দেখার আছে ব্রহ্মপুত্র ঘেরা কুড়িগ্রামে

news image

বারুণী স্নান উৎসব দেখতে যেতে পারেন নীলফামারীর নীলসাগরে

news image

প্রাচীন ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ জনপদ ঠাকুরগাঁও ভ্রমণ

news image

শেষ সীমান্তের সৌন্দর্য দেখতে লালমনিরহাট ভ্রমণ

news image

ঘুরে আসতে পারেন প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন ‘হিমালয়কন্যা’ পঞ্চগড়

news image

প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা

news image

পর্তুগালে স্থায়ী ভাবে থাকার সুবিধা বন্ধ

news image

বঙ্গোপসাগরের যে দ্বীপে মানুষ গেলে আর জীবিত ফিরতে পারে না

news image

২ মিনিটে হাঙরকে একাই গিলে ফেললো তিমি

news image

যে ৬টি কাজ করে আপনি নিজের জীবন নিজেই নষ্ট করছেন

news image

‘মৃত্যুর’ নাম্বার পড়েছে লক্ষ্মীপুরের ১৫ হাজার গাছে!

news image

‘নারীর বিনা বেতনে করা কাজের স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতি স্মার্ট হবে না’ 

news image

মাটি খুঁড়তেই বের হলো ২ হাজার বছর আগের শত শত সমাধি

news image

মাছ কী ঘুমায়?

news image

হিজাব পরে আলোচনার ঝড় তুললেন যে মডেল

news image

গাছ লাগানোর সঠিক সময় কখন?

news image

৫০ জন কনের যৌতুক ছাড়া বিয়ে

news image

জীবন্ত অবস্থায় কবর দেবার চারদিন পর বৃদ্ধকে জীবিত উদ্ধার

news image

কর্মক্ষেত্রে একাকিত্ব বোধ করেন?

news image

ভালো কাজ করলেই খাবার পাওয়া যায় যেখানে

news image

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ার কারণ ও সমাধান 

news image

বৃষ্টির মতো ছিটকে পড়ছে স্বর্ণ